ঘুড়ি উড়ানোর উৎসব

করোনা পরিস্থিতিতে সবাই ঘরে বন্দি । কিন্তু আমাদের এলাকাতে ঘুড়ি উড়ানোর উৎসব চলছে। সন্ধ্যা হলেই আকাশে চিলা( গ্রামের ভাষায় এক ধরনের ঘূড়ির নাম) উড়ছে । এই চিলাতে LED বাল্ব লাগানো হচ্ছে। রাতের আকাশে মনে হচ্ছে ভিন গ্রাহে UFO আকাশে ঘুরছে

ফিরে এসেছে সেই পুরোনা দিন । এক সময় গ্রামে খুব চং ও চিলা উড়ানো হতো । আগের মানুষ বাসায় বানাতো। বিভিন্ন ধরনের ঘুড়ি বানানো হচ্ছে ,এখন বাজারে কেনা পাওয়া যাচ্ছে । আমি শুনলা চিলা গুলো(ঘুড়ির দাম) ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে আরো অনেক দামের আছে ।কিভাবে ঘুড়ি বানানো যায় সেটা জানার দরকার নাই ।

বয়স ভুলে ঘুড়ি উড়াতে শুরু করেছে অনেক সংসারি মানুষ। আসলে বর্তমানে মোবাইল গেমিং এর যুগ হয়ে সব কেমন যেন ঢাকা  পড়ে যাচ্ছে । এইটা হবারই কথা । আদি কাল থেকে পরিবর্তন হয়ে আসছে এখনো হবে স্বাভাবিক।

তবে পুরানো সংস্কৃতি কিছুটা ধরে রাখা দরকার। আমার মনে আছে বলা  /বহলা গাছ (গ্রামে বলে থাকি) গাছের ফল দিয়ে  কাগজ(সংবাদ পত্র) ও ঝাটার খিল দিয়ে চং বা ঘড়ি বানানো হতো। ঝাটা বানানো হতো ডাব গাছে পাতার খিল দিয়ে। বহলা ফল যার মধ্যে আঠা থাকতো । বহলার গাছ থেকে ফল পেড়ে ঝাটার খিল দিয়ে ঘুড়ি বানানো ।

আমাদের পুরানো ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে । ঘুড়ি উৎসবের ব্যবস্থা করতে হবে ।

Leave a Comment