মোতাহারুল ট্রাভেল গাইড এর শুরু

ঘুরে বেড়ানো একটা সখ। আমি এই পর্যন্ত দেশের কয়েকটি জেলাতে গিয়েছি। তবে ইচ্ছে আছে ৬৪ জেলার ৪৯২ উপজেলা ভ্রমন করার।  মাঝে মাঝে মনে হয় ঘুরে বেড়ানো যদি আমার পেশা হতো। কেউ যদি এই চাকুরি দিত তাহলে খুব ভাল লাগতো৷ আমার বর্তমান বয়স ৩০ এর আসে পাশে।  ঘুরার শখ আমার ছোট বেলা থেকে। 

আমার মা – বাবা ছোট বেলায় পারিবারিক ভ্রমনে রাজশাহীতে যেতেন। ভ্রমনে গেলে আম্মা,আব্বা আমার বোন ও আমি যেতাম। 

আব্বা আম্মার সাথে রাজশাহীর চিড়িয়াখানা, বরেন্দ্র যাদুঘর, কুসুম্বা মসজিদ, কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথ এর কুঠিবাড়ি, হাড্রিঞ্জ ব্রীজ পাকশী,পাকশী কাগজ মিল(বর্তমানে বন্ধ) এই স্থানে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে।  আরেকটা স্থান নাটোরের গনভবন দেখেছিলাম আব্বা আম্মার সাথে। সেই ট্যূর হলো আমার জীবনের অন্যতম ভ্রমন। এরপর আব্বা আম্মার সাথে দূরে কোথাও যাওয়া হয়নি। 

এই ভ্রমন কাহিনি গুলো তখনকার এনালগ ক্যামেরায় ধারন করা হয়েছিল।  কিন্তু কালের বিবর্তনে ক্যামেরার ব্যবহার বন্ধ। ছবি গুলোও নষ্ট হয়ে গেছে সংরক্ষণের অভাবে। বর্তমান ডিজিটাল মিডিয়া মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তোলা হয়। 

আমার ভ্রমন কাহিনি কিন্তু থেমে যায়নি। পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এ পড়ার সময় যায় স্বপ্নপুরী, প্রিন্সের চাতাল,লালন শাহ মাজার, পাকশী রেলভবন এ ভ্রমন করার সুযোগ হয়। 

এর মাঝে বন্ধুদের সাথে পাকশী,কুষ্টিয়া ভেড়ামারাতে ট্রেনে যায়। 

আমি ও আব্দুলাহ আল মারুফ যায় খুলনাতে সেটা হবে ২০১৫ অথবা ২০১৬ তে। ঠিক মনে পড়ছে না৷ 

আমি ও হাসনাত ভাই একবার গিয়েছিলাম বলিহার রাজবাড়ী ও আত্রাই রবীন্দ্রনাথ এর কাচারি বাড়ি। তবে যেই দিন গিয়েছিলাম সেইদিন বন্ধ ছিল। যেইদিন গিয়েছিলাম সেইদিন বৃষ্টি হয়েছিল। 

মিতুলদের সাথে ঘুরতে গিয়েছি অনেক যায়গাতে। গ্রীনভ্যালী পার্ক নাটোরে গিয়েছিলাম। তাহেরপুর রাজবাড়ি, একটা পুরাতন মসজিদ। নওগাঁতেও গিয়েছিলাম কোন এক সময়।

আমি ও সানোয়ার চাপাই নবাবগঞ্জে বাইক নিয়ে ঘুরতে যায়। বেড়ানো হয়েছিল অনেক আন্তর্জাতিক সীমারেখা থাকার জন্য ভারত ভ্রমন হয়নি। 

২০২১ সালে মার্চ মাসে গিয়েছিলাম পাকশী ওগ্রীন ভ্যালী পার্কে। তবে এইবার আমার যাত্রা সংগী হয় জিহান। জিহানের প্রথম ট্রেন জার্নি। আমার সাথে পাকশী ঘুরেছে। 

২০২১ সালেই গিয়েছিলাম পাহাড়পুর আমার গিন্নি সহ। আমি কখনো পাহাড়পুর যায়নি। একটা মাইক্রোতে ১২ জনের মতন গিয়েছিলাম। এরপর কুসুম্বাতে যায়। এখানে এক ফুচকাওয়ালার সাথে ভালই বাক বিতন্ডা হয়। 

কয়েকবার নাটোর গিয়েছি। বলতে ভুলে গেছি জাহিদ ভাই নাটোরের রাজবাড়ী দেখিয়েছিলেন।

এরপর থেকে সেই রকম ঘুরাঘুরি হয়নি। তবে এর মাঝে বলে রাখা ভালো দুলা ভাইয়ের সাথে আমি ঢাকাতে গিয়েছি।

তবে জীবনে ট্রেন ভ্রমন করেছি অনেক বার। তবে এইবার বন্ধুর বিয়েতে গিয়েছিলাম কুমিল্লাতে ট্রেনে। এই অভিজ্ঞতা অন্যরকম। 

আসলে কোন ভ্রমনই আমার লিখা ও ভিডিও ভাল ভাবে দেওয়া হয়নি।  ইচ্ছে হচ্ছে এখন যদি ভিডিও ও একটা করে লিখা দেই তাহলে ভালই হবে। আমার অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার দেওয়া হবে। যদি আপনার  আমাকে সহযোগীতা করেন তাহলে ৬৪ জেলা ও ৪৯২ উপজেলা সদর ও দর্শনীয় স্থান আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারবো।

Leave a Comment