ই পাসপোর্ট ফি

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত ই পাসপোর্ট ফি ও ব্যাংক গুলোর তালিকা দেওয়া হয়েছে । আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে এই লিখা আপনার জন্য । আপনি যদি বিদেশে ভ্রমন করতে চান তাহলে আপনার প্রথম যা করতে হবে সেটা হলো পাসপোর্ট । বাংলাদেশে প্রথমে ছিল হাতে লিখা পাসপোর্ট তারপর চালু হয় মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট যাকে সংক্ষেপে বলা হয়  এম আর পি  । বাংলাদেশে সরকার ২০২০ সালে চালু করে ই পাসপোর্ট ।

যেহেতু ই পাসপোর্ট চালু করা খুব বেশিদিন হয়নি ।সেক্ষেত্রে অনেকেই জানেন না এই পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে ? তাই আপনাদের সুবিধার জন্য নিচে  ৪৮ ও ৬৪ পাতার পাসপোর্ট ৫ (পাঁচ) বছর ও ১০ (দশ) বছরের জন্য কেমন খরচ পড়বে তা দেওয়া হলো । তবে বলে রাখা ভালো পাসপোর্ট ডেলিভারির ক্ষেত্রে ৩ (তিন) ধরনের ব্যবস্থা আছে।

ডেলিভারির ধরনঃ

  1. নিয়মিত
  2. জরুরী
  3. অতীব জরুরী

ডেলিভারির উপর ভিত্তি করে ফি কম বেশি হয় ।

নিম্নোক্ত হারে পাসপোর্ট ফি প্রযোজ্য হবে ( ১৫% ভ্যাট সহ ) :

৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্টঃ

  • ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৪,০২৫ টাকা
  • ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা
  • ২ কর্মদিবসের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট

  • ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৫,৭৫০ টাকা
  • ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে  জরুরী বিতরণ: ৮,০৫০ টাকা
  • ২ কর্মদিবসের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট

  • ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা
  • ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা
  • ২ কর্মদিবসের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১২,০৭৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট

  • ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৮,০৫০ টাকা
  • ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা
  • ২ কর্মদিবসের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১৩,৮০০ টাকা
বি:দ্র: যাদের এনওসি /অবসর সনদ (সরকারি চাকরিজীবিদের ক্ষেত্রে) রয়েছে তারা নিয়মিত ফি জমা দেওয়া সাপেক্ষে জরুরী সুবিধা পাবেন।

ব্যাংক পেমেন্ট:

ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া এবং ঢাকা ব্যাংক ফি দেওয়া যাবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

১। আবেদনপত্রের সারংশের প্রিন্ট কপি (অ্যাপয়েন্টমেন্ট সহ)
২। সনাক্তকরণ নথির প্রিন্ট কপি (জাতীয় পরিচয় পত্র/ জন্ম নিবন্ধন নং)
৩। পেমেন্ট স্লিপ
৪। পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এবং ডাটা পেজের প্রিন্ট কপি (যদি থাকে)
৫। তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র(যদি থাকে)
৬। আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি(ঐচ্ছিক )

বর্তমানে নিম্নলিখিত পাসপোর্ট অফিসগুলিতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু আছে।

১। আগারগাওঁ
২। যাত্রাবাড়ি
৩। উত্তরা
৪। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
৫। বাংলাদেশ সচিবালয়
৬। গাজীপুর
৭। মনছুরাবাদ
৮। ময়মনসিংহ
৯। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
১০। গাইবান্ধা
১১। গোপালগঞ্জ
১২। মানিকগঞ্জ
১৩। নরসিংদী
১৪।নোয়াখালী
১৫। ফেনী
১৬। চাঁদগাওঁ
১৭। কুমিল্লা
১৮। মুন্সিগঞ্জ
১৯। সিলেট
২০। মৌল্ভিবাজার
২১। সুনামগঞ্জ
২২। হবিগঞ্জ
২৩। যশোর
২৪। খুলনা
২৫। কুষ্টিয়া
২৬। বি-বাড়িয়া
২৭। রাজশাহী
২৮। চাপাইনবাবগঞ্জ
২৯। বগুড়া
৩০। রংপুর
৩১। দিনাজপুর
৩২। নওগাঁ
৩৩। জয়পুরহাট
৩৪। বরিশাল
৩৫। পটুয়াখালি
৩৬। পাবনা
৩৭। সিরাজগঞ্জ
৩৮। কিশোরগঞ্জ
৩৯। নাটোর
৪০। মাগুরা
৪১। নড়াইল
৪২। লক্ষ্মীপূর
৪৩। টাঙ্গাইল
৪৪। জামালপুর
৪৫। শেরপুর
৪৬। নেত্রকোনা
৪৭। মাদারীপুর
৪৮। ফরিদপুর
৪৯। রাজবাড়ি
৫০। ঝিনাইদহ
৫১। সাতক্ষীরা
৫২। বাগেরহাট
৫৩। ভোলা
৫৪। বরগুনা
৫৫। চুয়াডাঙ্গা
৫৬। ঝালকাঠি
৫৭। কুড়িগ্রাম
৫৮। লালমনিরহাট
৫৯। মেহেরপুর
৬০। নীলফামারী
৬১। পঞ্চগড়
৬২। পিরোজপুর
৬৩। শরিয়তপুর
৬৪। ঠাকুরগাঁও
৬৫। বান্দরবান
৬৬। চাঁদপুর
৬৭। কক্সবাজার
৬৮। খাগড়াছড়ি
৬৯। নারায়নগঞ্জ
৭০। রাঙামাটি

বি দ্রঃ পাসপোর্ট অফিস পরিদর্শন করার সময় অনুগ্রহ করে কোভিড -১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১ অক্টোবর ২০২০

Leave a Comment