আমার জীবনের প্রথম দীর্ঘ ভ্রমণ

অনেক দিন আগের কথা আমার জীবনের প্রথম দীর্ঘ ভ্রমণ । আমি তখন ছোট ছিলাম । আমার বাবা, মা, আমার বোন ও আমি সবাই মিলে ঘুরতে যাওয়া হতো । মুলত আমাদের ঘুরার যায়গা ছিল রাজশাহী চিড়িয়াখানা, শাহ্‌ মুখদুম রঃ এর মাজার আরো অনেক স্থানেই যাওয়া হতো। আমার নানীর বাড়িতে যাওয়া হতো তখনকার পূজার ছুটিতে । কোন না কোন ছুটিতে ।

প্রথম দূরে কোথাও ভ্রমন। এই কতসালে তা বলতে পাবোনা । তবে মনে আছে আমরা কয়েকটা যায়গাতে বেড়াতে যায় । তার মধ্যে নাটোরের গনভবন,পাবনার কাগজ কল আর কুষ্টিয়ার ঠাকুর বাড়িতে । আমার ভ্রমন শুরু তখন থেকেই।

কোন সময়টাতে গিয়েছিলাম সেটাও মনে নাই । তবে মনে আছে সইপাড়া মোড় থেকে সকাল সকাল আমরা বাহির হই। আম্মা রান্না করেছিল খাবার । খাবার বেধে নিয়ে গিয়েছিলাম । তখন আমাদের একটা এনালগ ক্যামেরা ছিল। এখনো আছে সেই ক্যামেরা । ক্যামেরা আছে তবে এখন তো ফিল্ম পাওয়া যাবে না । ফিল্ম , ডেভোলপ করে সেখান থেকে ছবি বাহির করা অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ৩৬ টি ছবি তোলা যেতো ।

আমি আমার বোনের ছবি তুলেছিলাম নাটোরে গনভবনে গিয়ে । অনেক মূর্তি ছিল । অনেকদিন যায় না কি অবস্থা বলতে পারবো না । এরপর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এর কুষ্টিয়ার সেই ঠাকুর বাড়িতে যায় । এখানে এসে দুইটা বই কিনেছিলাম । বইয়ের নাম গুলো খুছে পেলে লিখবো । মজার ব্যাপার হলো আমি প্রথম ঘোড়ার পিঠে উঠি । টাকা দিয়েই উঠেছিলাম । অনেক শিক্ষক ও তাদের পরিবার ছিল এই ভ্রমনে। মূলত এইটা শিক্ষা সফর ছিল। ঠাকুর বাড়িতে আসতে আসতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল।

প্রথমে গিয়েছিলাম নাটোরের গনভবন  আরো লিখা বাকি আছে মোনে হয় । অপেক্ষায় থাকুন । ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to top