মোটরসাইকেলের তেল শেষ

আজ ০৬ অক্টোবর ২০২২ খ্রিঃ বৃহস্পতিবার অসাধারন দিন। সকাল থেকে দুই একটা করে ভাল খবর পাচ্ছি। তার মধ্যে আমার এই ওয়েব সাইটে গুগলের বিজ্ঞাপন চালু হয়েছে। ভাল খবরে মধ্যে মোটরসাইকেলের তেল শেষ হবে কে জানে। গতকাল গাড়িতে যে ৫০০ মিলি তেল নিয়েছে সেটার ভরসায় ছিলাম ।

আজ আমার বন্ধু রুমন গাড়ি কিনবে । গাড়ি কিনবে ভাল কথা আসলো প্রায় সন্ধ্যার দিকে। রুমন ও তুষার বন্ধুকে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে গাড়ি চেপে গাড়ি কিনতে যাচ্ছিলাম। সাকোয়াতে গিয়েই গেলো গাড়ির তেল শেষ হয়ে। ভ্যানের পিছনে গাড়ি বেধে শেষমেষ পাম্পে গিয়ে ২০০ টাকার তেল উঠালাম । তারপর গেলাম Yamaha ব্র্যান্ডে শো-রুম FJ Enterprice এ। গাড়ি যখন থেমে যায় তখন মিতুল গেলো কেশরহাটে । সামান্য গাড়ির গতি কমিয়ে আবার চলে আসলো।

গাড়ি কেনার সময় থেকে শেষ পর্যন্ত মিতুল ছিল । মিতুলের সুবাদে গাড়ির দাম কম পেয়েছি। ধন্যবাদ জানাই মিতুলকে যে আমার বন্ধুর গাড়ি কেনাতে সাহায্য করায়।

এর মাঝে একটা কথা বলে রাখি । আমাদের পরের এস এস সি ব্যাচের শারমিন এর সাথে দেখা। আসলে আমি চিনতে পারিনাই । সে আমাকে বললো ভাইয়া আমি শারমিন সাদিয়ার বান্ধবী। আসলে মানুষ চেনা দায়। প্রায় এক যুগ পর দেখা । জিজ্ঞাসা করলাম তুমি তো ঢাকায় ছিলে । সে এখন জয়পুরহাটে আছে। শারমিন ও আর একজন ছিল হেলমেট কিনছিল। আমি আর বেশি কথা বাড়ায়নি ।

ডেবিট কার্ড বিভ্রাটঃ

বন্ধু আমার গাড়ি কিনবে অনেকদিনের শখ। কিউকম নামের এক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কাছে অনেকদিন থেকে টাকা পাওনা ছিল। সাম্প্রতিকালে টাকা পেয়েছে। সেই টাকা বন্ধু রেখেছিল ব্যাংকে। খুব ভাল টাকা ভাল যায়গাতেই আছে । ব্যাংক বলে কথা সদ্য ব্যাংক গুলো ডিজিটাল জামানায় পা ফেলেছে কার্ড দিচ্ছে। এপসের মাধ্যমে টাকা আদান প্রদান করা যাচ্ছে। সেই আশাতেই বন্ধুরা কার্ড নিয়ে এসেছে গাড়ি কিনতে। টাকা নিয়ে ঘুরার দিন শেষ ।

বন্ধু আমার গাড়ি কিনার জন্য আগেই ২০০০ টাকা বুকিং মানি দিয়েছে। আজ এসেছে গাড়ি কিনতে । গাড়ি আগেই পছন্দ ও অর্ডার করা ছিল । গাড়ি রেডি। বিপদে পড়েছে মোটরসাইকেলের দাম দিতে গিয়ে।

তুষারের কার্ড দিল সেটা কাজ করে না POS (পচা) মেশিনে। রুমনের কার্ড কাজ করছে তাদের মেশিনে । কেশরহাটে Q-Cash কার্ড সাপোর্ট করে ইসলামী ব্যাংকের বুথে। তুষারকে নিয়ে গিয়ে টাকা তুলে আনলাম । তবে জব্বের ব্যাপার বুথ থেকে টাকা তোলার লিমিট সর্বোচ্চ ১৫০০০ টাকা।

রুমনের কার্ড দিয়ে পচা মেশিনে ঢুকিয়ে পেমেন্ট করতে গেলো প্রায় সব পেমেন্ট করতে চাইলো। কিন্তু ডিকলেইন করলো। শেষে ৫০০০০ টাকা করে কয়েকবার পে করার পর আর নেয়না । আবার কি করার বুথ থেকে টাকা তুলার জন্য রুমনকে নিয়ে গেলাম। টাকা তুলে আনার পর বিল পরিশোধ করার পরে গাড়ি নিয়ে আশা হলো।

গ্রাহকদের সুবিধা অসুবিধা কোনটা ব্যাংক গুলো বুঝে না । কার্ড হাতে ধরিয়ে দিলেই ওস্তাদ হয়ে যায় সরকারি ব্যাংকগুলো। ডেবিট কার্ড বিভ্রাট হবার আগে সবকিছু জেনে নেওয়া উচিত।

বন্ধুর গাড়ি কেনা সুবাদে ছোট ভোজনের ব্যবস্থা হলো। ধন্যবাদ জানাই রুমন বন্ধু ট্রিটের জন্য।

দিনটি আসলেই অনেক স্মরনীয় । জীবনের কিছু তারিখ মনে রাখার মতন । আজকের তারিখ সেই রকম কিছু একটা। আজকে গুগল এডসেন্স আমার দিনকে আনন্দময় করে তুলেছিল।

মোটরসাইকেল দাম ২০২২ সালে কেমন তা নিয়ে মনে হয় একটা আর্টিকেল লিখা যেতে পারে যদি আপনারা চান তাহলে কমেন্ট করবেন ।

Leave a Comment